Help Center

×
Suggested articles

Requesting transfer of funds among tutors

Requesting transfer of funds among tutors

Requesting transfer of funds among tutors

Our Blogs

কিভাবে আপনার ক্যারিয়ারে "নেগেটিভ প্যারেন্টিং" এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে?

<p>একজন মানুষের প্রকৃত মানুষ হয়ে উঠার পিছনে সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ যে বিষয়টি সেটি হলো প্যারেন্টিং। মা এবং বাবা উভয়ের আচার-ব্যবহার, অভ্যাস - স্বভাব এবং আশে পাশের পরিবেশের উপর নির্ভর করে তাদের সন্তান কিভাবে বেড়ে উঠছে।</p>

About This Post:

বাচ্চার সামনে ছোটো ছোটো কথায় ঝগড়াঝাটি করা, অশোভন কথা বলা, মন্তব্য করা থেকে শুরু করে সবকিছু তে নিজের কর্তৃত্ব ফলানো, সন্তানের মতামতের গুরুত্ব না দেয়া, সন্তানকে অবহেলা করা,সব কাজে নিরুৎসাহিত করা,অতিরিক্ত বকাবকি করা, কোনো কিছুতে সাপোর্ট না করা,অসামঞ্জস্যপূর্ণ জীবন যাপন করা, খোলামেলা কথা না বলতে পারা, সন্তানের কৃতিত্ব কে অবহেলা করা এসব কিছুই নেগেটিভ প্যারেন্টিং। সন্তানের সাথে এরকম আচরণ এর পরিনতি খুবই ভয়াবহ। সবকিছু শেয়ার না করতে পারা, বাবা মায়ের অবহেলা। ফলাফল?? ডিপ্রেশনে ভুগা অতঃপর সুইসাইড!! প্যারেন্টিং এর ক্ষেত্রে সবসময় একটি বিষয় মাথায় রাখা উচিৎ সেটা হচ্ছে নিজেদের ব্যক্তিগত সমস্যা গুলো সন্তানের সামনে আলোচনা না করা। এতে করে বাচ্চার উপর সম্পর্কের নেতিবাচক প্রভাব পরবে না। আরও একটি বিশেষ বিষয়ে খেয়াল রাখতে হবে যে আপনার বাচ্চাকে অন্য বাচ্চাদের সাথে তুলনা যাতে না করা হয়। প্রত্যেক মানুষই নিজ গুণে গুণান্বিত। যখনই একজনকে আরেকজনের সাথে তুলনা করতে যাবেন তখনই সেই মানুষটির যোগ্যতার উপর প্রশ্ন উঠে যায়। তার নিজের প্রতি আত্মবিশ্বাস আরও কমে যায়। বাবা-মায়ের প্রতি সন্তানের অবশ্যই অনেক দায়িত্ব কর্তব্য থাকে এবং সব সন্তানই সেইসব দায়িত্ব কর্তব্য পালন করার চেষ্টা করে। কিন্তু বাবা-মায়ের ও সন্তানের প্রতি একটি বিশেষ দায়িত্ব পালন করা উচিৎ। সন্তানের শারীরিক সুস্থতার খেয়াল রাখার পাশাপাশি তার মানসিক সুস্থতারও খেয়াল রাখা। আপনি প্যারেন্ট হিসেবে সন্তানের সাথে যেমন আচরণ করবেন, ভবিষ্যতে সন্তানের থেকেও ঠিক একই আচরণ - মনোভাব দেখতে পাবেন। অর্থাৎ আপনি সন্তানকে যা-ই শিক্ষা দেবেন আর যেভাবেই দেবেন না কেন, কোনো না কোনো ভাবে সেটি আপনাকেও ভোগ করতে হবে বা আপনার সন্তান অন্যের সাথেও একই আচরণ করবে৷ অতএব নিজের সন্তানকে সুষ্ঠু ভাবে গড়ে তোলার জন্য আগে নিজেকে মানুষ হিসেবে গড়ে তুলুন। আমরা সবাই একটা প্রবাদ জানি যে - প্রত্যেক বাচ্চারই প্রথম শিক্ষালয় হয় তার পরিবার এরপর তার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। অর্থাৎ বাচ্চা তার পরিবার থেকে আগে শিখবে এরপর সে তার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে শিখবে। তাই আমাদের প্রত্যেকের উচিৎ পারিবারিক শিক্ষা, রীতিনীতি, আচার-ব্যবহার কে প্রাধান্য দেয়া। নিজের সন্তানকে সব কাজে উৎসাহ দিতে থাকুন, তার কাজকে প্রাধান্য দিন, বন্ধুসুলভ আচরণ করুন। সব কথা শেয়ার করতে শিখান এবং নিজেও শেয়ার করুন। তার আশেপাশের পরিবেশ, বন্ধুমহল এর দিকে বিশেষ খেয়াল রাখুন। অসৎসঙ্গ ত্যাগ করতে বলুন। সন্তানকে বিনোদন মূলক কাজে উৎসাহ দিন। সারাক্ষণ পড়াশোনার চাপে না রেখে, প্রতিযোগিতার চাপ না দিয়ে সন্তান কি শিখছে কিভাবে শিখছে তার উপর খেয়াল রাখুন। পরিশেষে একটি কথাই বলতে হচ্ছে যে, আপনার সন্তানের সাথে সেরকম আচরণই করুন যেমনটা আপনি তার থেকে আশা করেন। অতএব নেগেটিভ প্যারেন্টিং বন্ধ করুন। নিজেকে এবং সন্তানকে সুন্দর সুষ্ঠু মানসিক জীবন দান করুন। প্রয়োজনে প্রোপার প্যারেন্টিং কাউন্সেলিং এর ব্যবস্থা গ্রহণ করুন। শিকর যদি নড়বড়ে হয় তাহলে ক্যারিয়ারের শাখা প্রশাখা দুর্বল হয়ে পড়বে।কর্মক্ষেত্র কিংবা পারিবারিক জীবন কোনো ক্ষেত্রেই প্রকৃত অর্থে সফলতা আসবে না।

All Tags This Post:

Parent Guardian Teachers

All Comments: (0)