Help Center

×
Suggested articles

Requesting transfer of funds among tutors

Requesting transfer of funds among tutors

Requesting transfer of funds among tutors

Our Blogs

ক্যারিয়ারে সফল হবার কিছু কার্যকরী কৌশল।

<p>প্রতিযোগিতার এই পৃথিবীতে নিজেকে সফল করার জন্য সর্বোচ্চ সাধ্য দিয়েই আপনাকে চেষ্টা করতে হবে। সফল হবার জন্যে মানুষ কত ত্যাগ তিতিক্ষা করেন তার ইয়ত্তা নেই। আজকের এই লেখাটি যদি আপনার সফলতার পথ আর এক ধাপ এগিয়ে দেয় তাহলে ক্যারিয়ারে সফল হবার কিছু কার্যকরী কৌশল জেনে নিন এখনই।</p>

About This Post:

১. লক্ষ্য নির্ধারণ করুনঃ আপনার ক্যারিয়ারের স্বল্পমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য নির্ধারণ করুন। মাঝে মাঝে নিজের কাজগুলো পর্যালোচনা করুন, আপনি যেভাবে চাচ্ছেন সেভাবেই আপনার লক্ষ্যের দিকে আপনি এগোতে পারছেন কিনা। যদি মনে হয়, যেভাবে চাচ্ছিলেন সেভাবে হচ্ছে না, তবে কোন কোন সমস্যার কারণে পিছিয়ে পড়ছেন খুঁজে বের করুন এবং সমাধান করার চেষ্টা করুন। ২. সবসময় বড় চিন্তা করুনঃ মানুষ সর্বদাই স্বপ্নপ্রিয়। আমাদের স্বপ্নগুলো যেমন বড় হয় ঠিক তেমনি ঠুনকোও হয়। একটু নেতিবাচকতার ছোয়াঁ পেলেই স্বপ্ন ভেঙে চুরমার হয়ে যায়। এ নিয়ে Stephen Richard এর উক্তি আছে - " No matter how small you start, always dream big. " ৩. আপনার পছন্দমতো কাজ নির্বাচন করুনঃ আপনার কর্মক্ষেত্র যাই হোক না কেন কাজটি যদি আপনার পছন্দের হয়, আপনি যদি কাজটি উপভোগ করেন এবং পারিশ্রমিকের থেকে কাজে বেশি মনযোগী হোন তাহলে সে কাজে আপনার সফলতা আসবেই। সবসময় নিজের ভাললাগাকে প্রাধান্য দিন এবং পছন্দসই কাজে সর্বোচ্চ ভাল করার লক্ষ্যে কাজ করলে সফলতার পেছনে আপনাকে দৌড়াতে হবে না বরং সাফল্য নিজেই ধরা দিবে আপনার কাছে। ৪. নিজের দক্ষতা বৃদ্ধি করুনঃ যতটা সম্ভব নিজের জ্ঞান এবং অভিজ্ঞতা বাড়ানোর চেষ্টা করুন। প্রতিযোগিতার এ সময়ে অন্য সবাই যখন প্রতিনিয়ত নিজের জ্ঞান ও কোয়ালিটি বাড়ানোর জন্য চেষ্টা করছে, আপনি সেটা না করলে পিছিয়ে পড়বেন। ইন্টারনেট অথবা বই যেখানে ভালো লাগে পড়ার চেষ্টা করুন। যখনই শিক্ষার কোনো সুযোগ আসবে সেটাকে কাজে লাগান এবং দক্ষতা বাড়ান। আপনি যত পড়বেন ততই জানবেন এবং শিখবেন, পড়ার কোনো বিকল্প এখনো তৈরি হয়নি। ৫. আত্মবিশ্বাসী হউনঃ নিজের ওপর বিশ্বাস রাখা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সবাই অন্যের সফলতায় নিজে হতাশাগ্রস্থ হয় এবং নিজের প্রতি বিশ্বাস কমতে থাকে। আপনার জীবনে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব আপনার নিজের। জন্ম থেকে শুরু করে আজ পর্যন্ত প্রতিটি মূর্হূর্ত আপনার পাশে আর কেউ থাকুক বা না থাকুক আপনি নিজে আছেন আপনার সাথে।তাই নিজের ওপর বিশ্বাস রাখা খুব জরুরি। ৬. সময় ব্যবস্থাপনা শিখুন এবং চর্চা করুনঃ আমরা অনেকেই একই সময়ে একই সাথে বিভিন্ন কাজ নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়ি। কিন্তু দেখা যায় একসাথে অনেক কাজ করতে গেলে দিন শেষে কোনোটাই ঠিকমতো করা হয় না আর কোনো না ভুল-ত্রুটি থেকেই যায়। এক্ষেত্রে আমাদের সময় ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে অবগত হওয়া উচিত। তাই আপনার সারা দিনের কাজের পরিকল্পনা করুন। কী কী কাজ করবেন তার তালিকা তৈরি করুন এবং কোন কাজগুলোকে অগ্রাধিকার দিয়ে করবেন, সেটা ঠিক করুন। এ ক্ষেত্রে যে কাজটা অধিকতর জরুরি, সেটা আগে তারপর বাকিগুলো করার চেষ্টা করুন। আর যখন সবগুলো কাজই জরুরি এবং স্বল্পতম সময়ে সবগুলোই শেষ করতে হবে আপনাকে, সে ক্ষেত্রে প্রত্যেক কাজের জন্য প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ের শিডিউল তৈরি করুন এবং সে সময়ের মধ্যে শেষ করার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করুন। ৭. সকল কাজের ভারসাম্য রক্ষা করাঃ আমাদের বেশিরভাগ মানুষের ধারণা শুধুমাত্র কঠোর পরিশ্রম এবং লক্ষ্যবস্তুর পেছনে দৌড়ানো মাধ্যমে সফল হওয়া সম্ভব। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে শুধু এভাবে কঠোর পরিশ্রম করতে থাকলে একটা সময় আপনি অবসাদগ্রস্ত হয়ে পড়বেন। কঠোর পরিশ্রমের পাশাপাশি নিজের চিন্তা শক্তিকে সচল রাখা, সময়মতো খাওয়া, নিজের অনুভূতিগুলোকে প্রকাশ প্রাধান্য দেয়দ তথা মানসিক স্বাস্থ্যের খেয়াল রাখা ও শারীরিক দিক দিয়ে সুস্থ থাকা সবকিছুই সমানভাবে জরুরী তবেই সফল হওয়া সম্ভব। ৮. ব্যর্থতাকে মেনে নিতে শিখুনঃ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বলেন -"ভুল করার সকল দরজা যদি বন্ধ করে দাও, তাহলে ঠিক করার দরজাও বন্ধ হয়ে যাবে।" ভুল হবেই, ব্যর্থতা আসবেই তাই বলে জীবন যে থেমে থাকবে তা কিন্তু নয়। জীবন জীবনের গতিতে চলতে থাকবে। তাই প্রতিটি ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে পরবর্তী প্রতিটি কাজ পূর্ববর্তী কাজের তুলনায় আরো ভাল করার চেষ্টা থাকতে হবে। ৯. সর্বদা ইতিবাচক মানসিকতা বজায় রাখুনঃ

ইতিবাচক মানসিকতা আপনার চিন্তাভাবনা, জীবন - যাপন আর কাজকে অধিকতর সহজ করে দিবে। মানুষ তার নিজের চিন্তা-ভাবনা দ্বারা সবথেকে বেশি প্রভাবিত হয় সেটা ইতিবাচকই হোক আর নেতিবাচকই হোক। জন সার্কল বলেন - "যারা বলে অসম্ভব, অসম্ভব তাদের দুয়ারেই বেশি হানা দেয়।" তাই সব পরিস্থিতিতে ইতিবাচক চিন্তা করা খুব গুরুত্বপূর্ণ। ১০. সামাজিক কর্মকান্ডে অংশগ্রহণ করুনঃ সুযোগ হলে বিভিন্ন সামাজিক কর্মকা-ে অংশগ্রহণ করুন। সামাজিক অনুষ্ঠানগুলোতেও নিজের অংশগ্রহণ বাড়াতে থাকুন, এতে অনেক নতুন মানুষের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগ পাবেন। এভাবে মানুষের সঙ্গে মেশার অভিজ্ঞতা হবে এবং আপনার নতুন নতুন ক্ষেত্রের যোগাযোগ বাড়বে। দেখা যাবে হঠাৎই কোনো না কোনো কানেকশন আপনার কাজে লেগে যাবে। ১১. নিজের গুণ সম্পর্কে সজাগ থাকুনঃ এ পৃথিবীর কেউই পরিপূর্ণ নয়, প্রত্যেকেরই কিছু না কিছু দুর্বলতা আছে। নিজেকে জানুন, কোন কোন কাজে আপনি বেশি সামর্থ্যবান আর কোন কোন কাজে আপনি দুর্বল জেনে নিন এবং দুর্বলতা কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করুন। দুর্বলতা আমাদের সবারই আছে; কিন্তু যে যতটা কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করতে পারে, সেই তত বেশি সফল হতে পারে। ১২. চ্যালেঞ্জ গ্রহন করার ক্ষমতা বৃদ্ধি করুনঃ নতুন কোনো কাজকে এড়িয়ে যাবেন না, চ্যালেঞ্জ হিসেবে গ্রহণ করুন। আপনার অব্যাহত চেষ্টা আপনাকে অন্য এক উচ্চতায় যেতে সাহায্য করবে। চ্যালেঞ্জ নিয়ে সফল হলে আপনার আত্মবিশ্বাস যেমন বেড়ে যাবে বহু গুণ, অন্যের কাছেও আপনার যোগ্যতা আপনি প্র্রমাণ করতে পারবেন। ১৩. যোগাযোগক্ষমতা বাড়ানঃ বর্তমান সময়টাই এখন যোগাযোগের। যত বেশি যোগাযোগ, তত বেশি সুযোগ। অন্যদের কথা শুনুন, জানুন। কারণ প্রতিটা মানুষেরই ভিন্ন ভিন্ন অভিজ্ঞতা আছে জীবন ও ক্যারিয়ারের ক্ষেত্রে তা আপনার কাজে লাগুক অথবা না লাগুক। এতে আপনার জ্ঞানের পরিধি বাড়বে এবং কোনো জ্ঞানই শেষ পর্যন্ত বৃথা যায় না। ১৪. কঠোর পরিশ্রম করুনঃ আপনি যদি গড়পড়তা মানুষের সামর্থ্যের বাইরে আপনার কাজকে ফুটিয়ে তুলতে না পারেন তাহলে আর সবার মতো জীবন কেটে যাবে কোন রকমে। যে কোন উপায়ে আপনি একটি পরিকল্পনা করুন এবং সে অনুযায়ী কাজ করুন।কাজ থেকেই প্রকৃত সাফল্য আসে। জীবন অথবা ক্যারিয়ার যেখানেই সফল হতে চান, তার জন্য আগে নিজেকে তৈরি করুন, নিজেকে ভালবাসুন এবং নিজেকে জানুন। নিজেকে তৈরি করতে পারলে দেখবেন শুধু ক্যারিয়ার নয়, আপনার জীবনের সবকিছুই নিয়ন্ত্রণে চলে আসছে।

All Tags This Post:

Parent Teachers Tutors Students

All Comments: (0)